মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :
সাপ্তাহিক চট্টবাণী পত্রিকায় চট্টগ্রাম মহানগর সহ বিভাগের আওতাধীন সকল জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা ছবিসহ বায়োডাটা ইমেইল করুন chattabani@gmail.com এই ঠিকানায়।
সংবাদ শিরোনাম :
পুঁথিগবেষক ইসহাক চৌধুরী আর নেই ভাস্কর্য নিয়ে মৌলবাদী বক্তব্য; দীঘিনালায় বিক্ষোভ মিছিল নন্দনকানন গৌর নিতাই আশ্রমে অন্নকূট উৎসব গ্রাহক হয়রানি করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পায়তারা সহ্য করা হবে না: রেজাউল করিম চৌধুরী কুতুবদিয়ার জলদস্যু সম্রাট ছালেহ আহমদ আটক সীতাকুণ্ডে ইয়াবাসহ নারী আটক বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন-চট্টগ্রাম’ এর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিম বিক্রিকালে রোহিঙ্গা যুবক আটক পার্বত্য এলাকায় উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে জনগণ: পার্বত্য মন্ত্রী করোনাকালীন সময়ে প্রতিবন্ধীদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

সুরকার আলাউদ্দিন আলী আর নেই




ডেস্ক রিপোর্ট: প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক, সুরকার ও গীতিকার আলাউদ্দিন আলী মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)। রোববার বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।



এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত থেকেই কিংবদন্তী এই সুরকারের শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তারও আগে টানা তিনমাস থাইল্যান্ডে ক্যানসারের চিকিৎসা শেষে চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে ফেরেন আলাউদ্দিন আলী। এরপর থেকে কিছুটা স্থিতিশীলই ছিলো তার শারীরিক অবস্থা।

আলাউদ্দিন আলী ১৯৫২ সালের ২৪শে ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী থানার বাঁশবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জাবেদ আলী ও মাতার নাম জোহরা খাতুন। আলাউদ্দিন তার পিতা ওস্তাদ জাবেদ আলী ও ছোট চাচা সাদেক আলীর কাছে প্রথম সঙ্গীতে শিক্ষা নেন।



১৯৬৮ সালে তিনি যন্ত্রশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে আসেন এবং আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি প্রখ্যাত সুরকার আনোয়ার পারভেজসহ বিভিন্ন সুরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৫ সালে সঙ্গীত পরিচালনা করে বেশ প্রশংসিত হন আলাউদ্দিন আলী।

তিনি গোলাপী এখন ট্রেনে, সুন্দরী, কসাই এবং যোগাযোগ চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ১৯৮৫ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।



আলাউদ্দিন আলী সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে সাতবার এবং গীতিকার হিসেবে একবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি খ্যাতিমান পরিচালক গৌতম ঘোষ পরিচালিত পদ্মা নদীর মাঝি চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন।



আলাউদ্দিন আলীর উল্লেখযোগ্য কিছু গানের মধ্যে রয়েছে- একবার যদি কেউ ভালোবাসতো, যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, ভালোবাসা যতো বড়ো জীবন তত বড় নয়, দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয়, হয় যদি বদনাম হোক আরো, আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার, সূর্যোদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি ও আমার বাংলাদেশ, বন্ধু তিন দিন তোর বাড়ি গেলাম দেখা পাইলাম না, যেটুকু সময় তুমি থাকো কাছে, মনে হয় এ দেহে প্রাণ আছে, এমনও তো প্রেম হয়, চোখের জলে কথা কয়, শত জনমের স্বপ্ন তুমি আমার জীবনে এলে, কেউ কোনো দিন আমারে তো কথা দিল না, জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো, হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ।

সংবাদটি শেয়ার করুন...













>


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
















© All rights reserved © 2019 Chattabani
Design & Developed BY N Host BD